প্রতিপক্ষের প্রতি ইশরাকের হুঙ্কার

0
10

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে বিএনপি মনোনীত মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেন বলেছেন, ‘এবার হামলা হলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। প্রতিপক্ষের সব হামলা মোকাবিলা ও কঠোর জবাব দিতে আমরা প্রস্তুত আছি।’ গতকাল সোমবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। ২০১৫ সালের সিটি নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে ইশরাক বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা চালিয়েছিল। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে সিনিয়র নেতাদের গাড়িবহরে হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করেছিল। এ নির্বাচনেও এ ধরনের হামলা হচ্ছে। তবে আমরা এবার প্রতিপক্ষের সব হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুত আছি।’ এর পর ইশরাক হোসেন তার গোপীবাগের বাসায় যান। সেখান থেকে চতুর্থ দিনের মতো গণসংযোগে নামার আগে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ফিল্ড একটি তৈরি হয়েছে, সেটি ভোট ডাকাতির, ভোট কারচুপির। প্রতিপক্ষকে দমন করার একটি ফিল্ড তৈরি করা হচ্ছে। এটিকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলে কিনা, জানি না।’ প্রচারে নেমে মানুষের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন দাবি করে ইশরাক বলেন, ‘যে এলাকায় যাচ্ছি, সেখানকার বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের গণসংযোগে অংশ নিচ্ছেন।’ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নিয়ে দলীয় অবস্থান থেকে সরে আসেননি জানিয়ে বিএনপির এ প্রার্থী বলেন, ‘প্রতিনিয়ত বলে আসছিÑ ইভিএমের মাধ্যমে ভোট কারচুপির সম্ভাবনা আছে। নিভৃতে ইভিএমে কারচুপি করা সম্ভব।’ ভোটারদের উদ্দেশে ইশরাক বলেন, ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার জাতি। কোনো অপশক্তির কাছে আমরা মাথা নত করব না। ৩০ জানুয়ারি অবশ্যই আপনারা ভোট দিতে যাবেন। সুষ্ঠুভাবে যাতে ভোট দিতে পারেন, আমরা আপনাদের পাশে থাকব।’ মেয়র নির্বাচিত হলে তিন মাসের মধ্যে প্রতি ওয়ার্ডে জনসংখ্যা এবং ঘনত্ব বিবেচনায় গণশৌচাগার নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন এ প্রার্থী। পরে ইশরাক টিকাটুলিতে নির্বাচনী প্রচার চালান। দুপুরে তিনি বংশালে যুবদলের কার্যালয়ে এক কর্মিসভায় অংশ নেন। গণসংযোগে ইশরাকের সঙ্গে ছিলেন বিএনপি নেতা ফজলুল হক মিলন, হাবিব-উন নবী খান সোহেল, কাজী আবুল বাশার, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

LEAVE A REPLY