দুই ‘বন্ধু’ই সেরা

সাকিব-তামিমের বন্ধুত্বের কথা কারো অজানা নয়। এক সময় তারা থাকতেন পাশাপাশি ফ্ল্যাটে। দুই বন্ধুর সম্পর্ক নিয়ে আছে অনেক মধুর গল্পও। গ্রুপ পর্বে দুটি ম্যাচেই শেষ হাসি হেসেছেন তামিম। ফাইনালেও সাকিবকে হারিয়ে দানে দানে তিন দান পূর্ণ করেছেন তামিম। তামিম ইকবালের জন্য ছিল কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের প্রথম ফাইনাল। আর সাকিবের জন্য অবশ্য তা ডালভাত। আইপিএল-সিপিএলেও ফাইনাল খেলার অভিজ্ঞতা আছে তার ঝুলিতে। প্রথম ফাইনাল হওয়াতে তামিমের জন্য ছিল স্নায়ুচাপের খেলাও। তবে ভয়কে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনলারের যত আলো সব কেড়ে নিয়েছেন দেশ সেরা এই বাঁহাতি ওপেনার। ক্যারিয়ার সেরা ১৪১ রান করে হয়েছেন ম্যাচ সেরা। প্রথম ফাইনালে উঠেই ম্যাচ সেরা এটা তামিমের মনে হয়তো লেখা থাকবে স্বর্ণাক্ষরে। তার রানের ওপর ভর করেই দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। অন্যদিকে সাকিব ব্যাটিং-বোলিংয়ে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে হয়েছেন টুর্নামেন্ট সেরা। বিপিএলে ছয় আসরের মধ্যে তিনবারই হয়েছেন প্লেয়ার অব দ্যা টুর্নামেন্ট। ব্যাট হাতে ৩০১ রান ও বল হাতে নিয়েছেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ২৩ উইকেট। দুই দলের মধ্যে দুই বন্ধুই আছেন সেরা পারফর্মারদের মধ্যে। ব্যাটিংয়ে তামিম ইকবাল অবস্থান করছেন দুই নম্বরে। ১৪ ম্যাচে তার ব্যাট থেকে আসে ৪৬৭ রান। সর্বোচ ১৪১ রান করেন। তবে তামিমের স্ট্রাইক রেট টি-টোয়েন্টির সঙ্গে যায় না। অন্যদিকে ব্যাটিং-বোলিং উভয় বিভাগেই আলো ছড়িয়েছেন সাকিব। ২৩ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহকের তালিকায় অবস্থান করছেন এক নম্বরে। দুই বন্ধু হয়তো ফাইনালের মতো বড় মঞ্চে মনে রাখবেন নিজেদের মুখোমুখি লড়াইয়ের কথা। ফাইনালের মঞ্চে আবার কবে দেখা হয় কে জানে?